সদ্য সংবাদ
Home / আইন আদালত / পি কে হালদারসহ ৮ জনের তালিকা ইন্টারপোলে

পি কে হালদারসহ ৮ জনের তালিকা ইন্টারপোলে

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে আছেন- এমন ৮ জনের তালিকা ইন্টারপোলকে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তবে এই ৮ জনের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, এই ৮ জনের মধ্যে জালিয়াতি করে অর্জিত ৫ হাজার কোটি টাকা পাচারের ঘটনায় জড়িত প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) নাম রয়েছে। বাকিদের মধ্যে আছেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক এমডি কাজী ফখরুল ইসলাম, বিসমিল্লাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান খাজা সোলেমান ও তার স্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের আফজাল হোসেন ও তার স্ত্রী।

এদিকে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা- ইন্টারপোলের কাছে ৭ থেকে ৮ জনের একটি তালিকা আমরা পাঠিয়েছি। আমাদের কাছে ৬০ থেকে ৭০ জনের তালিকা আছে। ৭-৮ জনেরটা ইতিমধ্যে ইন্টারপোলে গেছে। তবে তাদের নাম আমি বলতে চাচ্ছি না, নাম বললে হয়তো তারা স্থান পরিবর্তন করতে পারে। ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়ে এভাবে গেছে, অন্যগুলোও যাবে। যাদের ব্যাপারে তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা এসব তথ্য সংগ্রহ করি না। আমরা মূলত অন্যায়-অপরাধটাই দেখি। আমাদের অর্থ আÍসাৎ করেছে কি না বা আবার কেউ সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, এমন ব্যক্তিরা। কে প্রভাবশালী, আর কে প্রভাবশালী নন, তা আমাদের দেখার কথা না।

যারা অর্থ আত্মসাৎ করে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন, তাদের বিরদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অংশ হিসেবে দুদকের একটি দল সেই দেশে যাওয়ার কথা ছিল। এই বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে ইকবাল মাহমুদ বলেন, সিঙ্গাপুরে একটি দল পাঠানোর কথা ছিল, সেই অর্ডার আমাদের হয়ে আছে। টিমও রেডি ছিল, কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সেখানে একটা সমস্যা হয়েছে। আমাদের তো সেফটি দেখতে হবে।

করোনাভাইরাসের প্রভাবে অসাধু চক্র জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে দুদক থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না দুদক চেয়ারম্যানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে, ইতিমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সরকারের এমন উদ্যোগের পর যদি দেখা যায় কোনো ব্যক্তি বা চক্র ওষুধের দাম বা ইকুইপমেন্টের দাম বাড়িয়ে জনগণকে জিম্মি করে অবৈধ অর্থ উপার্জন করছে, তখন আমরা ব্যবস্থা নেব। আমরা আপাতত এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপে যাচ্ছি না। সরকার করছে, তা আমরা দেখছি।

About bdlawnews

Check Also

সৌদিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি গৃহকর্মী হত্যার বিচার শুরু

পরিবারের হাল ধরতে বিদেশে পাড়ি জমানো নারী শ্রমিকের মৃত্যু কিংবা অত্যাচারের খবর নতুন নয়। পরিসংখ্যান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com