বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রস্তাবিত অধ্যাদেশটি কার্যকর হলে বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই ব্যবস্থায় আসামিকে জেলখানায় রেখে, আইনজীবীকে বাসায় রেখে ও সাক্ষীকে অন্য জায়গায় রেখে ভিডিও কনফারেন্সিং ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিচারকার্য করা সম্ভব হবে। এটাই হলো এই অধ্যাদেশের মূল বিষয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করবে। আর পার্লামেন্ট বসার প্রথম দিনই এটি সেখানে উপস্থাপিত হবে।’

এই আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকায় মামলা জট যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি বিচারপ্রার্থীগণ বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সে অবস্থা দূর করার লক্ষ্যে এবং বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ভিডিও কসফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করার জন্যই ‘আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেহেতু সংসদ চলছে না, কাজেই এটিকে পাস করা যাবে না। তাই এটিকে অধ্যাদেশ আকারে চূড়ান্ত করা হয়েছে।