Home / জাতীয় / প্রধানমন্ত্রী ও বার কাউন্সিলের অবিভাবক সুলভ মনোভাবের আশায় ১৩ হাজার পরিবার।

প্রধানমন্ত্রী ও বার কাউন্সিলের অবিভাবক সুলভ মনোভাবের আশায় ১৩ হাজার পরিবার।

এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের মানুষ যারা আমার যুবক শ্রেণী আছে তারা চাকরি না পায় বা কাজ না পায়।

—– উক্তিটি করেছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, এদেশের রুপকার,বাঙ্গালী জাতির পিতা,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতীর পিতার লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর তাঁরই সুযোগ্য কন্যা আমাদের
মমতাময়ী মা,জননেত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়তে তিঁনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে তিঁনি এদেশকে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে জনগনের সর্বাত্মক সহযোগীতা কামনা করেছেন।

আমরাও এ শিক্ষিত বেকার শিক্ষানবিশ আইনজীরার চাই বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে।
মমতাময়ী মা,দেশরত্ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করতে। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন শাখা ও বিভাগের মাধ্যমে এ উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এমনি একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। এ শাখার মাধ্যমে দেশের আইনঙ্গনের সেবায় আইনজীবী তালিকাভুক্ত করণ হয়। শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের তালিকাভুক্তিতে দীর্ঘ জটিলতার ফলে এরা সমাজে আজ অবহেলিত। এক এক জন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মুখের দিকে তাকানো যায়না। তাদের মুখে কেন জানি একটা কষ্ট-বেদনার ছাপ। এরা পরিবার তথা সমাজেও হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। একজন সন্তান যখন দিশেহারা হয়ে যায় তখন অবিভাবকেই আশ্বাস দেয় যে বাবা আমি তো বেঁচে আছি নিরাশ হইও না। তেমনি তাঁরা এখন নিরুপায় হয়ে তাদের অবিভাবক
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সম্মানিত বার কাউন্সিলের সদস্যদের কাছে করজোড়ে মিনতি করে বলছে-আমাদের বাঁচান,আমরা নিরুপায়,আর কত কষ্ট জ্বালা-যন্ত্রনা সহ্য করবো। আমরা প্রধানমন্ত্রীর ও বার কাউন্সিলের নিকট প্রনদণা চাই না। আমরা চাই সমাজে টিকে থাকার জন্য একখানা আইনজীবী সনদ। প্রায় ১৩ হাজার প্রিলিমিনারী পাশকৃত শিক্ষানবিশ আইনজীবীর পরিবার দু হাত তুলে দোয়া করছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সম্মানিত বার কাউন্সিলের সদস্যদের জন্য তাঁরা যেন মানবিক হয়ে এ অবহেলিত সন্তানদের লালন-পালন করেন।

দেশের ৭০০০০+ শিক্ষানবিশ আইনজীবীরাও বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন পুরনে অঙ্গিকারাবন্ধ হতে চায়। ফলে এদেরকে অকার্যকর ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতে রেখে দেশে সুষ্ঠু আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। দেশের উন্নয়নে আগে শিক্ষিত বেকার স্বনির্ভর কর্মক্ষম করতে হবে। দেশের ৮০% লোক কৃষি নির্ভর তাই যদি বর্তমানে করোনা ক্রান্তিকালে কৃষি জমি ফাঁকা রাখা যাবেনা ও আনাচে-কানাচে হলেও শাক-সবজি চাষ করে দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রায়াস করছে সরকার।
প্রায় ১০০ বছর আগেও মরণঘাতী করোনার মত কঠিন আঘাত পায়নি পৃথিবী। সারা বিশ্বের অর্থনীতি এখন ভঙ্গুর প্রায়। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোও এখন বিভিন্ন আইন,নিয়ম শিথিল করে দেশকে অর্থনীনিতে চাঙ্গা করছে। এদেশেও চলছে বিভিন্ন উপায়ে অর্থনীতি চাঙ্গা ও জনকল্যান কাজ যাতে দ্রুত করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে দেশ। তাহলে করোনা ক্রান্তিকালে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শিক্ষিত বেকার কাজে লাগানোর জন্য বহুল সংখ্যক শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের মধ্যে যাঁরা প্রায় ১৩ হাজার প্রিলিমিনারী পাশ করেছে তাঁদের জন্য মানবিক দিক বিবেচনা করে নিম্ন আদালতে প্রাকটিসের জন্য জরুরী গেজেট করে সনদ দিয়ে স্বনির্ভর করতে আকুল আবেদন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বার কাউন্সিলের সম্মানিত সদস্যদের নিকট।
এ শিক্ষানবিশ আইনজীবীরাও চায় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অংশ নিতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে ধিরে ধিরে উন্নত বিশ্বের তালিকায় নিয়ে যেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বদ্ধ পরিকর। ফলে প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবী প্রিলিমিরারী পরিক্ষায় কৃতকার্যদের স্বনির্ভর ও কর্মক্ষম করতে রিটেন-ভাইভা মওকুফ করতঃ গেজেটের মাধ্যমে সনদ প্রদানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সম্মানিত বার কাউন্সিলের সদস্য মহোদয়গণ সচেষ্ট হয়ে এ দেশকে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়কে আরো সুদৃঢ় করবে বলে আশা করে ভূক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী ও তাদের পরিবারবর্গ।

লেখক: মিতা খাতুন, কোর্ট রিপোর্টার ও

শিক্ষানবিশ আইনজীবী,খুলনা।

About bdlawnews

Check Also

পুলিশ সদস্যদের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করলেন আইজিপি

পুলিশ সদস্যদের সাথে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com