Home / কোর্ট প্রাঙ্গণ / বার কাউন্সিলকে দাবী মানতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম: শিক্ষানবীশ আইনজীবী‌রা

বার কাউন্সিলকে দাবী মানতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম: শিক্ষানবীশ আইনজীবী‌রা

মিতা খাতুন,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

শিক্ষানবিশ আইনজীবী সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক আজ(১৯ জুলাই)শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের তালিকাভূক্তির দাবীতে পালিত হয় বার কাউন্সিলের সামনে মহাসমাবেশ। সমাবেশে শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের প্রধান সমন্বয়ক এ,কে মাহমুদ তাঁদের দাবী মানতে বার কাউন্সিলকে ৭২ ঘন্টার অাল্টিমেটাম দিয়েছে।

শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের প্রধান সমন্বয়ক এ,কে মাহমুদ আরও বলেন,বার কাউন্সিল ৭২ঘন্টার মধ্যে যদি আমাদের ন্যায্য দাবী মেনে না নেয়,তাহলে আমরা আরো কঠোর আন্দোলনে যাবো।

জানা জায়,প্রিলিমিনারী পাশকৃত (২০১৭ ও ২০২০) সালের রিটেন,ভাইভা পরীক্ষা চলমান বৈশ্বিক মহামারীর কারনে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের ন্যায্য দাবী গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভূক্তির জন্য প্রধান সমন্বয়ক এ,কে মাহমুদ,সুমনা আক্তার লিলি ও আইনুল ইসলাম বিশাল গণের ডাকে আজ ১৯ জুলাই রবিবার বার কাউন্সিলের সামনে শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের সনদের দাবীতে মহাসমাবেশ।

ঢাকা বারের শিক্ষানবিশ আইনজীবী এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের অন্যতম সদস্য
আইনুল ইসলাম বিশাল বলেন, The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 27(1)(d),
40 (1) এবং 40 (2) (m) অনুযায়ী গেজেট বা প্রজ্ঞাপন দ্বারা ২০১৭ ও ২০২০ সালে প্রিলিমিনারি উর্ত্তীর্ণদের সনদ প্রদান করতে কোনো বাধা নেই। উপরোক্ত দুইটি অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ২০১৭ ও ২০২০ সালে প্রিলিমিনারি উর্ত্তীর্ণ শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে পারেন।

আন্দোলনের সমন্বয়কদের অন্যতম সদস্য আরেক জন সুমনা আক্তার লিলি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আইনের ছাত্র ছিলেন, তিনি সারাজীবন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন। কিন্তু আজ আমরা জাতির পিতার বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত, তিন বছর একটি পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছি।

তিনি আরও বলেন, বার কাউন্সিলের বর্তমান কমিটি যেহেতু এখন পর্যন্ত কোনো এনরোলমেন্ট পরীক্ষা পুরোপুরি সম্পন্ন করতে পারেনি এবং বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে লিখিত পরীক্ষা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনিশ্চিত সেহেতু ২০১৭ ও ২০২০ সালে প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণদের লিখিত ও ভাইভা মওকুফ করে গেজেট প্রকাশ করে ২০২০ সালেই সনদ প্রদান করা হোক। মুজিব শতবর্ষ থেকেই আপিল বিভাগের রায় কার্যকর করা হোক।

খুলনার শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোঃ রায়হান আলী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে যেহেতু প্রিলিপাশকৃতদের রিটেন,ভাইভা পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না আর কবে এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এটা কেউ জানে না। তাই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সম্মানিত বার কাউন্সিলের সদস্যদের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাবো যেন বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রিলি পাশকৃতদের গেজেটের মাধ্যমে সনদ দিয়ে শিক্ষিত বেকারদের স্বনির্ভর করে তোলে।

উল্লেখ্য,এই শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা সারা দেশে গেজেটের মাধ্যমে সনদের দাবীতে একযোগে গত ৯জুনে দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে ছিলেন। এছাড়া একই দাবীতে গত ৩০ জুন ঢাকা প্রেসক্লাবে প্রেস কনফারেন্স করেন ও সারাদেশে জেলা ভিত্তিক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছিলেন।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1577025669142626&id=100005056242669

About bdlawnews

Check Also

বগুড়া বার সমিতির নির্বাচনে সভাপতি টুকু সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ১

বি‌ডি ল নিউজ২৪ সংবাদঃ বগুড়া  অ্যাডভোকেটস্ বার সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com