Home / খেলাধুলা / গাছ লাগানো কর্মসূচিতে খেলোয়াড় নাবিব নেওয়াজ জিবন

গাছ লাগানো কর্মসূচিতে খেলোয়াড় নাবিব নেওয়াজ জিবন

আরিফুল ইসলাম, শিবগঞ্জ প্রতিনিধি:- শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য গাছ লাগানো নয় গাছ লাগানো হয় আমাদের অক্সিজেন চাহিদা পূরণে জন্য । দেশে যে পরিমাণে অক্সিজেন চাহিদার রয়েছে তার থেকেও অনেক কম , দেশের এই অক্সিজেন ঘাটতি মেটানোর জন্য ২৫ ভাগ বন জঙ্গল থাকা প্রয়োজন কিন্তু বাস্তবে সেখানে আমাদের বাংলাদেশে মাত্র ১৭ ভাগ বন জঙ্গল রয়েছে , এই ঘাটতির প্রধান কারণ হলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা । আমাদের দৈনন্দিন চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে আমরা প্রতিনিয়তই বন জঙ্গল ধ্বংস করে বাড়ি-ঘর তৈরি করছি মানছি না কোনো আইন ।
দেশে আরেকটি সমস্যা হলো জনসংখ্যা বৃদ্ধি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আমরা প্রতিনিয়তই গাছ কেটে ঘরবাড়ি তৈরী করছি , ব্যাপক হারে গাছপালা ও ফসলি জমি বিলীন হতে থাকলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেখা দিবে খাদ্য সমস্যা এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গাছ লাগানো বিকল্প নেই , আগেকার দিনে চারদিকে যে গাছপালা দেখা যেতো আর একাংশ এখন আর দেখা যায় না , এমন করে চলতে থাকলে পরিবেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে । আমাদের দেশ নদীমাতৃক হওয়াই প্রতিনিয়তই আমাদের দেশ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে এই নদী ভাঙ্গন রক্ষার জন্য গাছ লাগানোর বিকল্প নেই ।
বেপরোয়াভাবে কেউ গাছপালা কাটলে তেমন কোনো প্রতিবাদও হয় না এখন, ফলে নির্বিচার বৃক্ষ নিধনের মিছিলে নেমে পড়ছে কিছু অসাধু চক্র , আর এতে দিন দিন পরিবেশগত সমস্যা বেড়েই চলেছে। আমাদের দেশকে বলা হতো সবুজ শ্যামলের দেশ কিন্তু বাস্তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের ও আমাদের দৈনন্দিন চাহিদার জন্য সবুজ শ্যামলের এই বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে যাচ্ছে ‌। আমাদের দেশ কে রক্ষা করা লক্ষে একদল তরুণ প্রজন্ম “গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান” স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিনিয়ত গাছ লাগানো কর্মসূচি পালন করছে ।
এরই প্রেক্ষাপটে শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলি ইউনিয়নের গাংনগর হাইস্কুল মাঠের পাশ দিয়ে আজ শোভাবর্ধনকারী দেবদারু ও নারিকেল গাছের চারা লাগানো হয়। এইসময় উদ্যোক্তা মিঠু কুমার মহন্ত বলেন : আমরা প্রতিটা ক্ষণে বৃক্ষ থেকে অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে আছি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় বৃক্ষরোপন করলে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে শিক্ষার্থীদের উজ্জীবিত হবে।
এসময় জাতীয় দলের খেলোয়াড় নাবিব নেওয়াজ জিবন বলেছেন: পরিবেশ বাঁচাতে ও জীবন মান উন্নয়নে বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই, পরিবেশকে বাঁচাতে নিজে বাঁচতে সকলকে বৃক্ষরোপনে এগিয়ে আসতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তাহাজ্জুল ইসলাম, রফিকুল মৃধা, সংকর মহন্ত, সুমন রায় সহ আরো ব্যক্তিবর্গ। স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে ছিলেন – তমাল তুতন, তাফিরুল,বিশাল,মমিন,রব্বানী, আলমগির, আলিফ,সাব্বির, সৈকত, অন্তর, আসিফ, ওমর প্রমুখ।

About bdlawnews

Check Also

আজ পবিত্র ঈদুল আজহা: ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হওয়ার দিন

মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা আজ। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানীসহ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com