সদ্য সংবাদ
Home / আইন আদালত / হাইকোর্টে ভার্চুয়ালি-শারীরিক উপস্থিতিতে যে ৫৩ বেঞ্চে চলবে বিচার

হাইকোর্টে ভার্চুয়ালি-শারীরিক উপস্থিতিতে যে ৫৩ বেঞ্চে চলবে বিচার

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে উচ্চ আদালতে দুই পদ্ধতি তথা শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া (ভার্চুয়াল) এবং শারীরিক উপস্থিতিতে হাইকোর্টে বিচারকাজ পরিচালনা শুরু হচ্ছে আজ থেকে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট বিচারকের নাম উল্লেখ করে কজলিস্ট (কার্যতালিকা) প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে হাইকোর্ট বিভাগের জন্য ৫৩টি বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এর মধ্যে ভার্চুয়ালি ৩৫টি এবং বাকি ১৮টি বেঞ্চ শারীরিক উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে। সোমবার (১০ আগস্ট) এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের প্রশাসন শাখা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আদালতের ‘তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০’ এবং অত্র কোর্টের জারি করা প্র্যাকটিস ডিরেকশন অনুসরণের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য প্রধান বিচারপতি বেঞ্চগুলো গঠন করেছেন।

এতে দ্বৈত ও একক ৩৫টি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

বেঞ্চগুলো হলো-

১. বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও এসএম কুদ্দুস জামান।
২. বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম।

৩. বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও মো. সোহরাওয়ার্দী।
৪. বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।
৫. বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী।
৬. বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও কাজী জিনাত হক ।
৭. বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী।
৮. বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন ও শশাংঙ্ক শেখর সরকার।
৯. বিচারপতি মো. ইমাদুদল হক আজাদ।
১০. বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং আশীষ রঞ্জন দাস।
১১. বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও মো. আতোয়ার রহমান।
১২. বিচারপতি মামনুন রহমান ও খিজির হায়াত।
১৩. বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও এস এম মনিরুজ্জামান।
১৪. বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার।
১৫. বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও এস এম মজিবুর রহমান।
১৬. বিচারপতি নাইমা হায়দার ও রাজিক আল জলিল।
১৭. বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান।
১৮. বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও শাহেদ নূরউদ্দিন।
১৯. বিচারপতি এ এন এম বসির উল্লাহ।
২০. বিচারপতি আবদুর রব ও মো. সেলিম।
২১. বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী ও কে এম হাফিজুল আলম।
২২. বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. বদরুজ্জামান।
২৩. বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও মোহাম্মদ উল্লাহ।
২৪. বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও মো. ইকবাল কবির।
২৫. বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও আহমেদ সোহেল।
২৬. বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের।
২৭. বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও মো. মহিউদ্দিন শামীম।
২৮. বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও মো. কামরুল হোসেন মোল্লা।
২৯. বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হক।
৩০. বিচারপতি সহিদুল করিম ও মো. আখতারুজ্জামান।
৩১. বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
৩২. বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও মো. জাকির হোসেন।
৩৩. বিচারপতি মাহমুদুল হক।
৩৪. বিচারপতি কাশেফা হোসেন।
৩৫. বিচারপতি মো. সেলিম।

শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকার্যের বেঞ্চগুলো হলো-

১. বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান এবং কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ।
২. বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান।
৩. বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ।
৪. বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও ভীষ্মদেব চক্রবর্তী।
৫. বিচারপতি একেএম আবদুল হাকিম ও ফাতেমা নজীব।
৬. বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর।
৭. বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও একেএম জহিরুল হক।
৮. বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
৯. বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও এএসএম আব্দুল মোবিন।
১০. বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও কেএম জাহিদ সারওয়ার।
১১. বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও মো. রিয়াজ উদ্দিন খান।
১২. বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।
১৩. বিচারপতি জেবিএম হাসান ও মো. খায়রুল আলম।
১৪. বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও কাজী ইবাদত হোসেন।
১৫. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার।
১৬. বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার।
১৭. বিচারপতি জাফর আহমেদ।
১৮. বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী

এর আগে গত ৬ আগস্ট দুই পদ্ধতিতে বিচারকাজ চলবে বলে ভিডিও কনফারেন্সে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ফুল কোর্ট সভায় সিদ্ধান্ত হয়। মহামারি করোনাকালে ২৬ মার্চ থেকে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এর সঙ্গে মিল রেখে আদলতেও পর্যায়ক্রমে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে দফায় দফায় বাড়ানো হয় সাধারণ ছুটির মেয়াদও।

এর মধ্যে অধ্যাদেশ জারির পর ১১ মে থেকে আদালতে ভার্চুয়াল বিচার কাজ শুরু হয়। ওই অধ্যাদেশটিকে পরে আইনে পরিণত করা হয়। সবশেষ গত ১৬ মে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে সরকার ৩০ মের পর সাধারণ ছুটি আর না বাড়ালেও আদালত অঙ্গনে নিয়মিত কার্যক্রমের পরিবর্তে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল বিচার কাজ অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

এদিকে, গত ৩০ জুলাই অধস্তন আদালতে ৫ আগস্ট থেকে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ চালুর সিদ্ধান্ত দেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সে অনুসারে অধস্তন আদালতে বিচার কাজ শুরু হয়।

About bdlawnews24

Check Also

অধস্তন আদালতে জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তসমূহ ভার্চ্যুয়ালি

অধস্তন আদালতে জামিন ও অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তসমূহ ভার্চ্যুয়ালি নিষ্পত্তি করা হবে বিষ‌য়ে প্রজ্ঞাপনে তথ্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com