সদ্য সংবাদ
Home / আইন আদালত / স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পাবেন আইনজীবীরা: আইনমন্ত্রী

স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পাবেন আইনজীবীরা: আইনমন্ত্রী

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে আইনজীবীরা ঠিকমত প্র্যাকটিস করতে না পারায় তাদের জন্য এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোববার ফরিদপুরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই তথ্য জানান বলে আইন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বক্তব্যে শেখ হাসিনার সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জেল হত্যা মামলা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার করার কথা মনে করিয়ে দেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “অপরাধীদের সাজা দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, এই দেশে সকলকেই আইন মানতে হবে।এর ব্যত্যয় ঘটালে তার বিচার হবে এবং আইনসঙ্গত সাজা হবে। এটা সকলকে মনে রাখতে হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আমাদের ওপরে তখনই আস্থা রাখবে, যখন তারা সঠিক বিচার পাবে। বিচারক ও আইনজীবীরা বিচার বিভাগকে কার্যকর করার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান দুটি অঙ্গ। রাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ যেমন একটি, ঠিক তেমনই বিচার বিভাগকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য বিচারক ও আইনজীবীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রতিষ্ঠান। এই দুই প্রতিষ্ঠান মিলে জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের যে উন্নয়নের ধারা তা চলবে। দুই হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে যে ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, সেটাও বাস্তবায়ন হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করলে জনগণ এসব কাজের সুফল পাবেন। বর্তমানে ৩৭ লাখ মামলা জট রয়েছে। এ জট কমাতে হবে। আমরা এই মামলার জট কমানোর চেষ্টা করবো এবং জনগণের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো। জনগণের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়া না গেলে তার পরিণতি কী হবে সেটা মুখে উচ্চারণ করাও উচিত নয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পিতার মতোই বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় ও উন্নয়নে বিশ্বাসী। ব্রিটিশরা যে আদালত ভবনগুলো তৈরি করে গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত অন্যান্য সরকার সেগুলোর কোনও পরিবর্তন করেনি।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সংবিধানে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা থাকলেও সামরিক ও খালেদা জিয়ার সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিচার বিভাগের অনেক পজিটিভ পরিবর্তন আনেন এবং এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ করা হয়।’

ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সেলিম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ফরিদপুর ১ ও ৪ আসনের সংসদ সদস্য যথাক্রমে মনজুর হোসেন ও মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, জেলা প্রশাসক অতুল সরকার, পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এওএম খালেদ প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।

About bdlawnews

Check Also

কক্সবাজারে পুলিশের ৩৪ পরিদর্শককে বদলি

সাবেক ওসি প্রদীপকাণ্ডের পর এবার কক্সবাজার জেলায় কর্মরত পুলিশের ৩৪ পরিদর্শককে একযোগে বদলি করা হয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com