Home / আইন পড়াশুনা / 💔 শতদিনের নিরব কান্না বাস্পস্তব্ধ মানবতা💔

💔 শতদিনের নিরব কান্না বাস্পস্তব্ধ মানবতা💔

🌹 আজ শততম দিনে পদার্পণ করলো ২০১৭ ও ২০২০ সালে MCQ উত্তীর্ণ  শিক্ষানবিসদের আন্দোলন। তাই প্রথমেই সংগ্রামীদের জানাই শততম দিনের লাল সালাম। এই পথ পরিক্রমা কুসুমাস্তীর্ণ ছিলোনা বরং অপরিসীম ধৈর্য, অদম্য মনোবল ও গগনচুম্বী দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে শত বাধাকে পরাজিত করে  খানাখন্দ ও কণ্টকসংকুল  এই পথটি পাড়ি দিয়েই আজকের এই শত অর্জন।

তবে এই সেঞ্চুরী আনন্দের নয় বরং বেদনার! কিন্তু অত্যাসন্ন আনন্দের প্রতীক্ষায় আজ শিক্ষানবিসগণ বেদনাটাকেই উদযাপন করছে এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, যারা বেদনাকে উদযাপন করতে জানে, আনন্দ একদিন তাদেরকে কদমবুসি করবেই।

এর আগে আন্দোলনের শুরুতেই  বার কাউন্সিল
কুটকৌশল করে ২৬/০৯/২০ ইং তারিখকে  পরীক্ষার তারিখ উল্লেখপূর্বক একটি শর্তসাপেক্ষ নোটিস প্রকাশ করে। এই তারিখ ছিল আন্দোলনকে নস্যাৎ করার একটা অপকৌশল মাত্র। তথাপি পরীক্ষার্থীদের একটি মেজর পার্ট পরীক্ষার জোড়াতালির নোটিসটাকেই স্বাগত জানায় এবং এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ে। তারা ভেবেছিল কোন রকম পরীক্ষাটা দিতে পারলেই হাঁপ ছেড়ে বাঁচি। কেননা  তীব্র মানসিক যন্ত্রণাদায়ক পরীক্ষা নামক ট্রমাটিকে তারা আর বহন করতে পারছিলনা।  আর বার কাউন্সিল যেহেতু একটি আনপ্রেডিক্টেবল প্রতিষ্টান সেহেতু তাদের পক্ষে যে কোন কিছু করাও সম্ভব। কিন্তু সক্রিয় আন্দোলনকারীরা এই দুরভিসন্ধিমূলক নোটিস দ্বারা বিভ্রান্ত হয়নি। তারা আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। টানেলের অপর প্রান্তে আশার প্রদীপ যখন নিবুনিবু, তখনো তারা তাদের হার না মানা মনোভাবটাকে জাগিয়ে রেখেছে।

কিন্তু বিধিবাম এখানেও দ্বিধা, সংশয় এবং লুকোচুরি খেলা। রকেট গতিতে ছড়াতে থাকে গুজবের ডালপালা। আজ পরীক্ষা হচ্ছে তো কাল খবর আসে পরীক্ষা হচ্ছেনা। বিশ্বস্তসূত্র, গোপনসূত্র, নির্ভরযোগ্যসূত্র গুলোর উচ্চমাত্রার সক্রিয়তায় অনিশ্চয়তার পারদ ক্ষিপ্রগতিতে উঠানামা করতে থাকে। পেন্ডুলামের মতো শিক্ষানিবসদের স্বপ্ন ঝুলতে থাকে। স্নায়ুচাপ তখন চরমরূপ, পরিস্থিতি শ্বাসরুদ্ধকর। অবশেষে ২০/০৯/২০ ইং তারিখে আরো একটি শর্ত সাপেক্ষ নোটিসের মাধ্যমে গুজবের সকল ডালপালা কেটেছেটে জন্ম দেয়া হয় একটি নির্মম সত্যকে। অর্থাৎ আরো একটি শর্তাধীন নোটিসের মাধ্যমে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয় পরীক্ষা। শুরু হলো শিক্ষানবিসদের নতুন অনিশ্চিত পথচলা। ভাবনার আকাশ ফ্যাকসে এবং স্বপ্নাকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা। সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত পরীক্ষার্থীরা ডানাভাঙা আহত পাখির ন্যায় যন্ত্রণায় কাতর। অন্যদিকে, একপক্ষের বুনো উল্লাস। কোনটা সঠিক ছিল সেই প্রশ্ন এখন অবান্তর তাই এই বিষয়ে আলোকপাত করছিনা।

তবে এইটুকু নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, পরীক্ষা
গ্রহণে বার কাউন্সিলের  ব্যর্থতা বা অক্ষমতা আন্দোলনের যৌক্তিকতাকে একটি দৃঢ় ভিত্তিমূলের উপর দাড় করিয়েছে। যারা আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে সমালোচনামুখর ছিল, বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছে আন্দোলনের ন্যায্যতা, তারা আজ ফুটো বেলুনের মতো বাতাসশূন্য হয়ে চুপসে গেছে। সুতরাং বার কাউন্সিলের পরীক্ষা গ্রহণে ব্যর্থতাই
এখন আন্দোলনের প্রাণসঞ্চারী মহৌষধ।

তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো অতিবাহিত একশত দিনের মধ্যে একদিনও বার কাউন্সিল অভিভাবকসুলভ উদারতা দেখাতে পারিনি।পরিপূর্ণ করুণা, মানবতা বা মমতার স্নেহপাণি অভিভাবকত্বের মাধুর্যে তাদের দিকে প্রসারিত করেনি।  দাবীর প্রতি নতি স্বীকার না করেও তাদের সাথে কথা বলতে পারতো কিংবা বলা উচিত ছিল। একটি মহানুভবতা তারা দেখাতেই পারতো। কিন্তু তা হয়নি বরং নিম্ন মানের অভিভাবকের ন্যায় সন্তানদের সাথে চানক্য কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে।

একশোটি দিন ধরে মানবতা ও নৈতিকতা কাতর স্বরে কান্না করছে কখনো প্রেসক্লাবে কিংবা কখনো বোরাক টাওয়ারের সামনে কিন্তু সেই কান্নার শব্দ অভিভাবকদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করেনি। সন্তানদের করুণ আর্তনাদ অভিভাবকদের মর্মস্পর্শ করেনি। হিমালয়সম কাঠিন্য নিয়ে ঘো ধরে বসে আছে অভিভাবক গোষ্ঠী বিগলিত হয়নি তাদের পাথরপ্রতীম পাষণ হৃদয়। শিক্ষানবিসদের  সাদা শার্টে লাল টাই ভিজে করুণ শংকের মতো ছবি ফুটাইতেছে কিন্তু অভিভাবক যেনো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।

💜 কেন শিক্ষানবিসরা লিখিত পরীক্ষা মওকুফ
চাচ্ছে  এবং কেন তা মওকুফ করা উচিতঃ
————————————————————
★(১) বার কাউন্সিল তৎকর্তৃক নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা নিতে ব্যর্থ হয়েছে ;
★(২) ইতোমধ্যে বার কাউন্সিলের অবহেলায় অনেক অত্যন্ত মূল্যবান সময় নষ্ট হয়েছে। তাই সময়খেকো লিখিত পরীক্ষার নামে আর সময় নষ্ট করার অবকাশ নাই;
★(৩) তাছাড়া বার কাউন্সিল কর্তৃক ইতিপূর্বে আরোপকৃত কোন স্থগিতাদেশ নূন্যতম এক বছরের মধ্যে প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি ;
★(৪) একটি নজীরবিহীন কঠিন MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছে যে, তারা প্রস্তুত হয়েই এখানে এসেছে;
★(৫) বিরাজমান  মহামারী পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়া ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় ইতোমধ্যে সরকার সকল পাবলিক ও ক্লাসচেইঞ্জ পরীক্ষা বাতিল করে সয়ংক্রিয় প্রমোশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ;
★(৬) দীর্ঘ সময়কালে চলতে থাকা পরীক্ষার চাপ
মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে ;

★(৭) দীর্ঘ সময়ের পরিচয় সংকট তাদের মধ্যে
হীনমন্যতা (Inferiority complex) সৃষ্টি করতে পারে ;

★(৮) নষ্ট হওয়া একটি মুহুর্ত ফিরিয়ে দেয়ার সামর্থ্য যেহেতু বার কাউন্সিলের নেই, সেহেতু হেঁয়ালিপূর্ণভাবে একটি মুহুর্ত নষ্ট করার অধিকারও তাদের নেই ;
★(৯) পরীক্ষা দিতে সবাই প্রস্তুত কিন্তু যথাযথ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে পরীক্ষা গ্রহণ করতে এবং যুক্তিসংগত সময়ের মধ্য ফলাফল প্রকাশ করতে বার কাউন্সিল নিজেই প্রস্তুত নয় ;

★(১০) ভাইরাসজনিত কারণে কেউ পরীক্ষা না দিতে পারলে মহামারী বিবেচনায় তা অন্যায় হবে ;

★(১১) উপরোক্ত সকল কারণ ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায় লিখিত পরীক্ষা মওকুফের বিষয়ে শিক্ষানবিসদের অনুকূলে একটি মূল্যবান নৈতিক অধিকার(Moral right) এবং বৈধ প্রত্যাসা(Legitimately expectation) উদ্ভূত হয়েছে।

💜 বার কাউন্সিল পরীক্ষা নিতে বাধ্য কিনাঃ
———————————————————
কেউ কেউ বলে বার কাউন্সিল পরীক্ষা নিতে বাধ্য নয়। না, বার কাউন্সিল পরীক্ষা নিতে অবশ্যই বাধ্য। কেননা The legal practitioners and Bar council order and rules, 1972 এর মাধ্যমে অর্পিত সকল কাজ সম্পাদন করতে বার কাউন্সিল বাধ্য। এটি তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা(Legal obligation)। উক্ত আদশের ১০ নং অনুচ্ছেদের ১১ টি দফায় বর্ণিত প্রতিটা কর্তব্যকর্মের সমান বাধ্যকরী শক্তি রয়েছে।
অতএব, বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষের বছর ৮ অনুচ্ছেদে সুনির্দিষ্টভাবে বিধৃত বিধান মতে ৩১ শে মে’র মধ্যে  বার কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্টানের যেমন বাধ্যবাধকতা রয়েছে,  একটি যুক্তিসংগত সময় পরপর তালিকাভুক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে তালিকাভুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও অনুরূপ বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এছাড়া ৬০ বিধিতে পরোক্ষভাবে একটি সময়সীমার ইংগিত রয়েছে। উক্ত বিধির ১নং দফায়  বিধান করা হয়েছে যে, একজন আইনজীবীর অধীনে দরখাস্তকারীকে অন্ততপক্ষে ছয় (৬) মাস শিক্ষানবিস হিসাবে থাকতে হবে।
এই ছয় মাস নির্ধারণ করে দেয়ার পটভূমি  হলো তৎসময়ে প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর তালিকাভুক্তি পরীক্ষা নেয়া হতো। অর্থাৎ প্রতি ছয়মাস পরপর পরীক্ষা নেয়ার একটি সফ্ট অবলিগেশন রয়েছে।

পক্ষান্তরে, উচ্চ আদালত দারুল ইহসান মামলার পর্যবেক্ষণে প্রতি ক্যালেন্ডার ইয়ারে একটি তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যাপারে নির্দেশা দিয়ে রেখেছেন।
আইনের আলোকে উপরোক্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে বলা যায় যে, ছয় মাসের মধ্যে অথবা উচ্চ আদালত নির্দেশিত প্রতি ক্যালেন্ডার ইয়ারে একটি তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বার কাউন্সিল অাইনগতভাবে বাধ্য।

💜 অধিকার হিসাবে শিক্ষানবিশরা পরীক্ষা দাবী করতে পারে কিনাঃ
——————————————————————
হ্যাঁ, পারে। শিক্ষানবিসগণ কর্তৃক পরিশোধকৃত রেজিস্ট্রেশন ফি বা  ফরম ফিলাপ ফি বা রি এপিয়ার ফি বার কাউন্সিলের কোষাগারে জমাকৃত হওয়ার সাথে সাথে পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষানবিসদের একটি অধিকার জন্মায়। তাদের নিজেদের ত্রুটি ব্যতিরেকে এই অধিকার অলংঘনীয়। তাছাড়া ছয়মাস শিক্ষানবিস কাল শেষান্তে তারা অবশ্যই মাঠে গরু চড়াতে যাওয়ার কথা নয়। তাই শিক্ষানবিস কাল অতিক্রান্ত হলে অতিদ্রুত পরীক্ষা নিয়ে তাদেরকে পেশাগত কাজে আত্মনিয়োগ করার সুযোগ করে দেয়া বার কাউন্সিলের আইনী দায়িত্ব। অতএব, শিক্ষানবিসরা অধিকার হিসাবেই পরীক্ষা দাবি করতে পারে। এটি বার কাউন্সিলের বিবেচনামূলক ক্ষমতা নয়। যদি পরীক্ষা নেয়া না নেয়া বার কাউন্সিলের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা হতো তাহলে , শিক্ষানবিসা অধিকার হিসাবে পরীক্ষা দাবী করতে পারতোনা।

যেহেতু বার কাউন্সিল নিতে অপারগ তাই লিখিত পরীক্ষা মওকুফ করে ভাইভার মাধ্যমে সনদ প্রদানের দাবী একটি ন্যায ও যৌক্তিক দাবী। এর নৈতিক, মানবিক ও আইনগত সকল প্রকার ভিত্তি রয়েছে।

💜 শিক্ষানবিশগণের করণীয়ঃ
—————————————
★(১) শিক্ষানবিসদের প্রথম ও প্রধান করণীয় হচ্ছে একান্তই অপারগ না হলে অবশ্যই আন্দোলনে যোগ দিয়ে আন্দোলনের তীব্রতাকে  চরমরূপ দেয়া।

★(২) সকল মতপার্থক্য মিনিমাইজ করে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোমনকে এগিয়ে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে একতায় উত্থান, বিভেদে পতন। (United we stand, divided we fall)

★(৩) একটি লিয়াঁজো কমিটি গঠন করা, যার দায়িত্ব হবে বিভিন্ন দায়িত্বশীল মহলের নিকট হতে  নিজেদের দাবী সম্পর্ক সমর্থন আদায় করা এবং এই বিষয়ে ভূমিকা রাখতে প্ররোচিত করা।

★(৪) একজনকে মুখপাত্র মনোনীত করা যিনি আন্দোলন সম্পর্কিত সকল বিষয়ে কথা বলবেন এবং দিক নির্দেশনা দিবেন। যে যার মতো করে কথা বললে শৃঙ্খলাভঙ্গ হয়, যার ফলে কে মুখ আর কে পাত্র তা চেনা কঠিনসাধ্য হয়ে পড়ে।

★(৫) আন্দোলনের পাশাপাশি পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া। বার কাউন্সিল যেনো বুঝতে  পারে যে, পরীক্ষায় বসার যথেষ্ট প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। লিখিত পরীক্ষা মওকুফের দাবী কেবলই তাদের অপারগতার পরিণতি।

💜 আন্দোলনের ভবিষ্যতঃ
———————————–
আমার সহজসরল পর্যবেক্ষণ হলো এই পরিস্থিতে চারিপাশে বিজয়াবহ বিরাজ করছে। যদি ২/৪ দিনের জন্য ঢাকার রাজপথকে নিজেদের করে নেয়া যায়, তাহলে Lady luck will bound to smile on us এবং সহসাই আমরা বিজয়োৎসব করতে পারবো। বার কাউন্সিলকে উপলব্ধি করতে বাধ্য করতে হবে যে, দাবী মেনে নেয়া ব্যতিরেকে এই উত্তাপের প্রশমন সম্ভব নয়।

পরামর্শঃ
★ হয়তো করতে হবে, নয়তো মরতে হবে  পেছনে ফেরার কোন সুযোগ নাই।
★ পৃথিবীর বেশীরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অর্জন সেই লোকদের দ্বারাই হয়েছে, যারা সব আশার আলো নিভে যাওয়ার পরও চেষ্টা করে গেছে।
★ ওরা তোমাকে নিয়ে হাসতে পারে, তোমাকে নিয়ে বিদ্রূপ করতে পারে, তোমাকে অবজ্ঞা করতে পারে, তাতে কিছুই যা আসেনা। কিন্তু ওরা যেনো তোমাকে থামিয়ে না দিতে পারে।
★ অনেক মানুষ ব্যর্থ হয়েছে শুধু হার মেনে নেয়ার কারণে। হারা মেনে নেয়ার সময় তারা বুঝতেই পারেনি, বিজয় তাদের কতোটা কাছাকাছি ছিল।
★ কোন অবস্থাতেই হাল ছেড়োনা। কারণ সময় যখন সবচেয়ে খারাপ, তখনই স্রোত নতুন দিকে মোড় নেয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
★ তুমি নিজের হাত তুলে না নিলে, তোমার স্নপ্ন ভঙ্গ করার ক্ষমতা কারো নাই।
★ বার কাউন্সিলের ব্যর্থতা আমাদের জন্য নতুন সুযোগ। So using brains make sure proper use of it.
★পরাজয়ের জন্য মানুষের সৃষ্টি হয়নি, হয়তো তাকে ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হার মানানো যায়না।
পরিশেষে, আন্দোলনের সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করছি। সকলের মনোবাঞ্ছা পূরণ হোক।
অসুস্থতা নিয়ে লেখাটা লিখেছি। স্বপরিবারে অসুস্থতাসহ Covid-19 symptoms carry করছি। তাই সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি। সবাই সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন ভিতরে বাহির।
( খোদা হাফেজ)  🌹

🌴লেখক
      আব্দুল হকিম
       শিক্ষানবিস
      জজকোর্ট, সিলেট।🌴

About bdlawnews

Check Also

হতাশায় নিমজ্জিত শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের দেখার কেউ নেই!

করোনার ভয়াল থাবার ভয় উপেক্ষা করে জীবনের বাজি রেখে একখানা সনদের দাবীতে রাজধানী ঢাকার প্রেস …

One comment

  1. Md. Ashrafuzzaman, Advocate.

    পরীক্ষার তারিখ নির্ধারনের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া কতটা যৌক্তিক ছিল?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com