নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় গৃহবধু টুম্পা মন্ডলকে হত্যা মামলায় স্বামীসহ ৩ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের অাদেশ দিয়েছেন অাদালত।
অাজ সোমবার (১২অক্টোবর) এ আদেশ দেন খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী।
মামলায় অপর এক অাসামি নির্দোষ প্রমান হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত অাসামীগণ হলেন ভিকটিম টুম্পার স্বামী ডুমুরিয়ার সেনপাড়া এলাকার পরিমল গাইনের পুত্র প্রসেনজিৎ গাইন (২৭), একই এলাকার অনাদি গাইনের ছেলে অনিমেষ গাইন (২৫) ও কৈ পুকুরিয়া এলাকার বিনয় মন্ডলের পুত্র বিপ্লব কান্তি মন্ডল (৩২)।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত অাসামিদের মধ্যে প্রসেনজিৎ গাইন (২৭) ও বিপ্লব কান্তি মন্ডল (৩২) পলাতক রয়েছেন। এছাড়া খালাস পাওয়া অাসামি হলো ডুমুরিয়ার সেনপাড়া এলাকার পরিমল গাইনের পুত্র সুদাশ গাইন (২৫)।
মামলার এজাহারের সংক্ষিপ্ত বিবরনী থেকে জানা গেছে,ভিকটিম টুম্পা মন্ডলের সাথে প্রসেনজিৎ গাইনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে ২০১৫ সালের ৬জুলাই তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর পারিবারিক কলহের কারনে ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তারা। ২০১৬ সালের ২অক্টোবর টুম্পাকে তার স্বামী মারপিট করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। ৫দিন পর অাপোষের কথা বলে টুম্পাকে তার স্বামী প্রসেনজিৎ ফোনে কল করে ডেকে অানেন। এরপর থেকে তাকে অার খুজে পায়নি পরিবার। পরবর্তিতে ৯অক্টোবর বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা এলাকার ঘ্যাংরাইল নদী থেকে টুম্পার ভাষমান লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় টুম্পার ভাই সমিত মন্ডল বাদি হয়ে ডুমুরিয়া থানায় ১০অক্টোবর হত্যা মামলা দায়ের করেন (নং ০৫)। মামলারতদন্ত কর্মকর্তা এসঅাই খাইরুল ইসলাম ও এস অাই কেরামত অালী ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর ৪জনকে অভিযুক্ত করে অাদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার মোট ২৭জন স্বাক্ষীর মধ্যে ২৬জনই অাদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী ছিলেন, জেলা পিপি শেখ এনামুল হক।