সদ্য সংবাদ
Home / অন্যান্য / রাবির সাংবাদিকতা বিভাগের নতুন সভাপতি ড. মুসতাক আহমেদ

রাবির সাংবাদিকতা বিভাগের নতুন সভাপতি ড. মুসতাক আহমেদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিভাগের অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ। বুধবার (০৫ মে) দুুপুর ১২টার দিকে বিভাগটির সভাপতির চেম্বারে সদ্যবিদায়ী সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুনের নিকট থেকে আগামী ৩ বছরের জন্য তিনি সভাপতির দায়িত্ব বুঝে নেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে,  সহযোগী অধ্যাপক সেলিম রেজা নিউটন, তানভীর আহমদ, মো. মশিহুর রহমান, ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল, মো. শাতিল সিরাজ, ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মামুন আব্দুল কাইউম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ নতুন সভাপতি অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

” alt=”” aria-hidden=”true” />
আজ দায়িত্ব নেয়ার পর সভাপতির আসনে অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ড. মুসতাক আহমেদ ২০০১ সাল থেকে রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন।

শিক্ষক হিসেবে ২০০৯-২০১১ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। ২০১৮ সালে ভারতের সাউথ এশিয়ান ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (স্যামা) কর্তৃক ‘বেস্ট টিচার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ পান। ২০১৯ সালে অধ্যাপক মুসতাক ফিলিপাইনে এমিক কনফারেন্সে প্রবন্ধ উপস্থাপন করে প্রশসিংত হন।

মুসতাক আহমেদ ২০১৯ সালে চীন সরকারের চাঙসা সিটি করপোরেশনের মেয়রের আমন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সামিটে অংশগ্রহণ করেন।

উত্তরবঙ্গের ছোট জেলা জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার প্রত্যন্ত গ্রাম বিহারপুরের আজিম উদ্দিন আহমেদ ও আকতার হাসনা হেনা আহমেদ এর ছোট ছেলে। মা স্বপ্নবিলাশী দুখিনী-গৃহিনী আর বাবা ছিলেন আক্কেলপুর (বেসরকারী) এফ ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং আক্কেলপুর থানা কৃষক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি (১৯৯৪-২০০২)।

সেই বাবার হাত ধরে স্কুলের পথে হাঁটা আর ১৯৯১ সালে এসএসসি প্রথম বিভাগে এবং ১৯৯৩ সালে এইচএসসি প্রথম বিভাগে পাশ করেন বগুড়া ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে। তারপর মনের অজান্তে গ্রামের এই ছেলেটি ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। সেখান থেকেই ১৯৯৬ সালে (অনুষ্ঠিত ১৯৯৮) বিএসএস এবং ১৯৯৭ সালে (অনুষ্ঠিত ২০০০) এমএসএস পাশ করেন প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে।

২০০১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সিলেকশন বোর্ড ও ২৮ সেপ্টেম্বর সিন্ডিকেট সভার সুপারিশক্রমে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। মায়ের কপালে ভাঁজ ধার নিয়ে মুসতাক আহমেদ শিক্ষক হওয়ার পর থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সদস্য। অতপর ২০০৪ সালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের প্যানেলে প্রভাষক ক্যাটেগরিতে সিন্ডিকেট সদস্য পদে নির্বাচন করেন। ফেল করে ০৬ টি ভোটের ব্যবধানে কারণ তখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিক্রিয়াশীলরা গণনিয়োগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে শিবির উৎপাদনের কারখানা বানাতে ব্যস্ত ছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে গণছুটিতে অংশগ্রহণ ২০০৮ সালে।

শিক্ষক হিসেবে ২০০৯-২০১১ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। ২০১৮ সালে ভারতের সাউথ এশিয়ান ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (স্যামা) কর্তৃক ‘বেস্ট টিচার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ পান। ২০১৯ সালে অধ্যাপক মুসতাক ফিলিপাইনে এমিক কনফারেন্সে প্রবন্ধ উপস্থাপন করে প্রশসিংত হন। লেখালেখি ও শিক্ষক রাজনীতিতে সক্রিয় তিনি।

মুসতাক আহমেদ ২০১৯ সালে চীন সরকারের চাঙসা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের আমন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সামিটে অংশগ্রহণ করেন। টিভিতে টকশো করেন। একাডেমিক বই রচনা করেছেন, সম্পাদনা করেছেন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ: বিশ্বস্মৃতিতে আমরা’ নামে গ্রন্থ। টেলিভিশন সাংবাদিকতা টেকনিক ও টেকনোলজি, মিডিয়া ও ডিসকোর্স, গণমাধ্যমের রাজনৈতিক অর্থনীতি, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ: বিশ্বস্মৃতিতে বাংলাদেশ তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। উচ্চতর ডিগ্রী করেছেন মিডিয়াতে প্রতিবন্ধীদের উপস্থাপন বিষয়ে।

About admin

Check Also

নওগাঁ সাপাহারে শুভ সংঘের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নবিবুর রহমান (নওগাঁ): নওগাঁ সাপাহারে” দৈনিক কালের কণ্ঠ” পত্রিকার সহযোগী প্রতিষ্ঠান শুভ সংঘ সাপাহার শাখার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com