সদ্য সংবাদ
Home / রাজনীতি / বিএনপির ৫৩ প্রার্থী মামলার আসামি

বিএনপির ৫৩ প্রার্থী মামলার আসামি

দেশের ২৩৫টি পৌরসভায় ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে দেশের দুই বড় দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ১০০ জন প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাদের তালিকায় ব্যবসায়ীদের আধিক্য বেশি। বিভিন্ন সময়ে ফৌজদারি মামলা হয়েছে দুই দলের একাধিক প্রার্থীর বিরুদ্ধেবিএনপির ১০০ প্রার্থীর হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ৫৩ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে বা অতীতে ছিল। প্রার্থীদের মধ্যে পেশায় ব্যবসায়ী ৬৮ জন, যার মধ্যে ঠিকাদার ১২ জন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রার্থীর সংখ্যা ৩৮ জন। আর অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন বা স্বশিক্ষিত প্রার্থী আছেন ১৪ জন। অন্যরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পেয়েছেন।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থীর মধ্যে ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা আছে। ৪৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেই। তাঁদের ১৫ জনের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল। মামলাগুলোতে তাঁরা খালাস পেয়েছেন। সেই হিসাবে একেবারেই কোনো মামলা নেই এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৩২ জন।

মামলা থাকা প্রার্থীদের মধ্যে হত্যা মামলা আছে সাতজনের বিরুদ্ধে। একজন একটি হত্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা আছে একজনের বিরুদ্ধে। তবে বেশির ভাগের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, নাশকতার কারণে মামলা হয়েছে। ১৬ জনের বিরুদ্ধে চলতি বছর সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই মামলাগুলো বিচারাধীন।

হত্যা মামলা: হত্যা মামলা থাকা প্রার্থীরা হলেন বরগুনার এস এম নজরুল ইসলাম, উজিরপুর পৌরসভার শহীদুল ইসলাম খান, সন্দ্বীপের আজমত বাহাদুর (দুটি হত্যা মামলা), নলছিটির মুজিবুর রহমান, কুষ্টিয়ার কুতুবউদ্দিন আহমেদ। আগে হত্যা মামলা ছিল বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মো. মনিরুজ্জামানে বিরুদ্ধে। আর হত্যা চেষ্টার মামলা আছে নান্দাইলের এ এফ এম আজিজুল ইসলাম ও যশোরের মারুফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মারুফুলের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩টি মামলা আছে।

পাঁচের বেশি মামলা: পাঁচটির বেশি মামলা আছে জীবননগরের নোয়াব আলী, মুক্তাগাছার শহীদুল ইসলাম, চাটখিলের মোস্তফা কামাল, শাহজাদপুরের নজরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জের মোকাদ্দেছ আলী ও শিবগঞ্জের শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

মামলা থাকা প্রার্থীরা: মামলা আছে এমন প্রার্থীরা হলেন বান্দরবানের জাবেদ রেজা, লামার আমির হোসেন, কাহালুর আবদুল মান্নান, আলমডাঙ্গার মীর মহিউদ্দীন, ঈশ্বরগঞ্জের ফিরোজ আহমদ, রাঙামাটির সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, বেতাগীর হুমায়ুন কবির, বগুড়ার এ কে এম মাহবুবুর রহমান, গাবতলীর সাইফুল ইসলাম, ফরিদগঞ্জের হারুন অর রশীদ, রাঙ্গুনিয়ার হেলাল উদ্দিন শাহ, ফুলবাড়ীর শাহাদাৎ আলী, গোপালগঞ্জের তৌফিকুর ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জের এম এফ আহমেদ অলি, বাঘারপাড়ার আবদুল হাই মনা, চৌগাছার সেলিম রেজা আউলিয়া, কেশবপুরের আবদুস সামাদ বিশ্বাস, হরিণাকুণ্ডুর জিন্নাতুল হক, লালমনিরহাটের আবদুল হালিম, কমলগঞ্জের আবু ইবরাহিম জমশের, ভালুকার হাতেম খান, ফুলপুরের আমিনুল হক, নাজিরপুরের আনোয়ার হোসেন, গুরুদাসপুরের মশিউর রহমান, সিংড়ার মাহতাবউদ্দিন, জলঢাকার ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী, ইশ্বরদীর মোখলেসুর রহমান, পাবনার নূর মোহাম্মদ, সাঁথিয়ার সিরাজুল ইসলাম, পিরোজপুরের আবদুর রাজ্জাক, চারঘাটের জাকিরুল ইসলাম, তানোরের মিজানুর রহমান, কলারোয়ার আখতারুল ইসলাম, সাতক্ষীরার তাসকিন আহমেদ ও জকিগঞ্জের বদরুল হক।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: হলফনামায় দেখা গেছে, ৩৮ জন প্রার্থী স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পাস করেছেন। এঁদের মধ্যে পেশায় চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী ও ব্যবসায়ীও রয়েছেন। এ ছাড়া উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন ২৬ জন প্রার্থী। ১৪ জন এসএসসি পাস করেছেন। এসএসসি পাস করতে পারেননি এমন প্রার্থী আছেন আটজন। স্কুলে যাননি কিন্তু লিখতে-পড়তে পারেন এমন প্রার্থী ১৪ জন, যাঁরা নিজেদের স্বশিক্ষিত বা অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন বলে উল্লেখ করেছেন।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই যাঁদের: প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না পাওয়া ১৪ জন প্রার্থী নিজেদের সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন বা স্বশিক্ষিত পরিচয়ে তথ্য দিয়েছেন হলফনামায়। তাঁরা হলেন কাহালুর আব্দুল মান্নান, ঈশ্বরগঞ্জের ফিরোজ আহমদ, সাতকানিয়ার রফিকুল আলম, ফুলবাড়ীর শাহাদৎ আলী, মাধবপুরে হাবিবুর রহমান, চৌগাছার সেলিম রেজা আউলিয়া (যোগ্যতা উল্লেখ করেননি), রামগঞ্জের খায়রুল ইসলাম, রামগতির শাহেদ আলী, নাজিপুরের আনোয়ার হোসেন, বসুরহাটের কামাল উদ্দিন চৌধুরী, ফরিদপুরের এমদাদুল হক, ঈশ্বরদীর মোখলেসুর রহমান, পাবনা সদরের নূর মোহাম্মদ ও জগন্নাথপুরের রাজু আহমেদ।মাধ্যমিকের গণ্ডি যাঁরা পার হননি: বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের আটজন মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। তাঁরা হলেন দর্শনার মহিদুল ইসলাম, জীবননগরের নোয়াব আলী, শায়েস্তাগঞ্জের এম এফ আহমেদ অলি, নোয়াপাড়ার রবিউল হোসেন, হরিণাকুণ্ডুর জিন্নাতুল হক, সোনারগাঁওয়ের মোশাররফ হোসেন, নাটোরের শেখ এমদাদুল হক আল মামুন, শাহজাদপুরের নজরুল ইসলাম।

এসএসসি পাস প্রার্থী: মাধ্যমিক বা এসএসসি পাস প্রার্থীরা হলেন লামার আমির হোসেন, দৌলতখানের আনোয়ার হোসেন, নন্দীগ্রামের সুশান্ত কুমার সরকার, নান্দাইলের আজিজুল ইসলাম, রাঙ্গুনিয়ার হেলাল উদ্দিন শাহ, কেশবপুরের আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, নলছিটির মুজিবুর রহমান, মীরকাদিমের শামসুর রহমান, মাধবদীর মো. ইলিয়াস, শিবগঞ্জের শফিকুল ইসলাম, জলঢাকার ফাহমিদ ফয়সল চৌধুরী, কলারোয়ার আখতারুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের তৌহিদুল ইসলাম, পীরগঞ্জের রাজিউর রহমান।
এর বাইরে ২৬ জন প্রার্থী উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন। আর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস মিলিয়ে প্রার্থী আছেন ৩৮ জন।

প্রার্থীর পেশা: বিএনপির ১০০ প্রার্থীর হলফনামায় উল্লেখিত পেশা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাঁদের ৫৬ জন ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ১২ জন। পেশা হিসেবে কৃষি দেখিয়েছেন ১৩ জন। শিক্ষক পাঁচজন। অন্যরা আইনজীবী, মৎস্য ব্যবসা, গৃহিণী এবং বাসা ও দোকান ভাড়াকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন।এ ছাড়া বর্তমানে মেয়র হিসেবে দায়িত্বে থাকা বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীরা মেয়রের সম্মানী ভাতার পাশাপাশি ঠিকাদারি, ব্যবসা, কৃষিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন। এর মধ্যে লামার আমির হোসেন কৃষি, নন্দীগ্রামের সুশান্ত কুমার সরকার কৃষি, দর্শনার মহিদুল ইসলাম কৃষি, জীবননগরের নোয়াব আলী ঠিকাদারি, শায়েস্তাগঞ্জের আহমেদ আলী কৃষি, বাঘারপাড়ার আব্দুল হাই ব্যবসা, কেশবপুরের আব্দুস সামাদ বিশ্বাস ব্যবসা, নাজিপুরের আনোয়ার হোসেন ব্যবসা, মাধবদীর মো. ইলিয়াস ব্যবসা, ঈশ্বরদীর মোখলেসুর রহমান ঠিকাদার, সিংড়ার মাহতাব উদ্দিন শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন।এ ছাড়া লাকসামের শাহনাজ আকতার গৃহিণী, বগুড়ার মাহবুবুর রহমান আইনজীবী, গোপালগঞ্জের তৌফিকুল ইসলাম আইনজীবী, ঈশ্বরগঞ্জের ফিরোজ আহমেদ দোকানভাড়া আদায়, বসুরহাটের কামাল উদ্দিন আহমেদ বাড়িভাড়া আদায়কে নিজের পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন।

কুমারখালীর তরিকুল ইসলাম শিক্ষকতা, চাটমোহরের আব্দুর রহিম কলেজশিক্ষক, সুনামগঞ্জের সেরগুল আহমেদ শিক্ষকতা, রানীশংকৈলের শাহজাহান আলী শিক্ষকতাকে নিজেদের পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন। হোমনার আব্দুল লতিফ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।

এক ডজন ঠিকাদার: দলটির ১০০ প্রার্থীর মধ্যে ঠিকাদারি পেশায় আছেন ১২ জন। এঁরা হলেন বান্দরবানের জাবেদ রেজা, চুয়াডাঙ্গার আব্দুল জব্বার, জীবননগরের নোয়াব আলী, বেতাগীর হুমায়ুন কবির, গাইবান্ধার শহীদুজ্জামান, মাধবপুরের হাবিবুর রহমান, রায়পুরের এ বি এম জিলানী, নাটোরের শেখ এমদাদুল হক আল মামুন, ঈশ্বরদীর মোখলেসুর রহমান, পিরোজপুরের আব্দুর রাজ্জাক, সাতক্ষীরার তাজকিন আহমেদ, জকিগঞ্জের বদরুল হক।

ধনী প্রার্থী: বিএনপির প্রার্থীদের কারোরই আর্থিক অবস্থা খারাপ নয়। এর মধ্যে কোটিপতি প্রার্থীও আছেন অনেকে। তবে বেশির ভাগ প্রার্থী তাঁদের সম্পত্তির দাম উল্লেখ করেননি। ফলে সব প্রার্থীর প্রকৃত আর্থিক অবস্থা নিরূপণ করা যায়নি। তবে আয় ও অস্থাবর সম্পত্তি এবং ঋণের তথ্যের ভিত্তিতে সম্পদশালী প্রার্থীর সংখ্যা কম নয়। সম্পদশালী প্রার্থীদের মধ্যে আছেন মাধবদী পৌরসভার বর্তমান মেয়র মো. ইলিয়াস। এই ১০০ প্রার্থীর মধ্যে অন্যতম ধনী ও ঋণী প্রার্থী তিনি। তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে আছে প্রায় দুই কোটি টাকার বন্ড, নগদ ১৭ লাখ টাকা, ব্যাংকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা, একটা গাড়ি, ৬ লাখ টাকার সঞ্চয়ী আমানত, যৌথ মালিকানায় আছে ৩৫ শতক কৃষি জমি, ১৩৫ শতক অকৃষি জমি, তিনটি বাড়ি, দুটি মার্কেট, এ ছাড়া নির্ভরশীলদের নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট। তাঁর ঋণও আছে প্রায় ৭২ কোটি টাকা।নগদ টাকা ও অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে কোটি টাকা আছে এমন প্রার্থীর মধ্যে আছেন বান্দরবানের জাবেদ রেজা। নাটোরের শেখ এমদাদুল হক আল মামুনের স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকা, ব্যক্তিগত গাড়ি, ২০ ভরি সোনা, চারতলা দুটি বাড়ি, একটি টিনশেড বাড়ি, দুটি আবাসিক বাড়ি ও বাণিজ্যিক জায়গা আছে। এ ছাড়া এমদাদুলের ঋণ আছে ১৩ কোটি টাকার বেশি।

ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা ফয়সাল আমীনের নিজ নামে ৩৫ লাখ টাকা নগদ, স্ত্রীর নামে নগদ সাড়ে ২৪ লাখ ও ব্যাংকে ২৪ লাখ, স্ত্রীর ৭৫ ভরি স্বর্ণ, সাড়ে ছয় একর কৃষি জমি, ৫৯ শতক অকৃষি জমি, দোতলা বাড়ির অংশ আছে। এ ছাড়া প্রায় ২৩ কোটি টাকার ঋণ আছে মির্জা ফয়সালের।

রায়পুরের এ বি এম জিলানীর একটি পিকআপ ও একটি ট্রাক আছে। নিজের চার লাখ টাকা নগদ, স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের নামে ৬০ লাখ টাকা পুঁজি, কৃষি জমি নিজস্ব পাঁচ একর ও যৌথ মালিকানায় ২৮৮ শতাংশ, অকৃষি জমি নিজস্ব ২২ শতাংশ ও ৩২৪ শতাংশ যৌথ মালিকানায়, তিনটি ভবন নিজ নামে, একটি ভবন স্ত্রীর নামে আছে। এ বি এম জিলানীর ঋণ আছে পাঁচ কোটি টাকা।

জীবননগরের নোয়াব আলীর নগদ আছে ২৪ লাখ, স্ত্রীর কাছে নগদ ১৪ লাখ, নিজের নামে নয় ভরি ও স্ত্রীর নামে চার ভরি স্বর্ণ, একটি করে ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি, কৃষি ও অকৃষি জমি ৩২ বিঘা। নোয়াব আলীর ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ঋণ আছে। এ ছাড়া সাতক্ষীরার তাজকিন আহমেদের নগদ আছে এক কোটি টাকা। দুটি বাড়ি ও একটি প্রাইভেট কার আছে। ঋণ আছে ২৩ লাখ টাকা।

অস্ত্র আছে ৬ জনের: পাথরঘাটার মল্লিক মো. আইয়ুবের একটি রিভলবার ও একটি দোনলা বন্দুক আছে। অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। আর নাটোর পৌরসভার শেখ এমদাদুল হক আল মামুনের একটি লাইসেন্স করা অস্ত্র আছে। ভালুকার হাতেম খান অস্ত্র রাখেন। মাধবদীর মো. ইলিয়াস বর্তমান মেয়র। তাঁর একটি পিস্তল আছে। গুরুদাসপুরের মশিউর রহমানের একটি রিভলবার ও একটি শর্টগান আছে। পিরোজপুরের আবদুর রাজ্জাকের কাছে পয়েন্ট ২২ বোর রাইফেল আছে।

 

About admin

Check Also

করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ

করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com