Home / দেশ ও দশ / যুবকের উপর পুলিশ নির্যাতন , সম্পদ লুট , প্রধানমন্ত্রীর নিকট যুবকের খোলা চিঠি

যুবকের উপর পুলিশ নির্যাতন , সম্পদ লুট , প্রধানমন্ত্রীর নিকট যুবকের খোলা চিঠি

প্রিয় মামতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী আপনি এই হতভাগ্য গরীব ছেলের অধিকার ফিরিয়ে দেবার নির্দেশ দিলেও আজো কেনো ন্যায় বিচার এবং আমার সারা জীবনের পুজিটুকু ফিরে পেলাম না !

“ পুলিশ সদস্য দ্বারা লুট হওয়া সম্পদ ফিরে পেতে হতদরিদ্র রাজীবের খোলা চিঠি”
(মানবতার মা খ্যাত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে।)

বরাবর,
মাননীয় প্রধানমত্রী,
প্রিয় মা প্রথমে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, আপনার দেশের এক গরীব দিনমজুর হয়ে ৩য় বারের মতো আপনার দারস্ত হবার জন্য।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ,
মা
আমার সালাম নিবেন , আমি আপনার দেশের সাধারণ একজন নাগরিক , আপনার কাছে পৌঁছা আমার জন্য সহজ নয় বিধায় এই লেখাটাই একমাত্র উপায় হিসেবে বেছে নিলাম।
আপনার স্বপ্নের বাংলাদেশ আজ প্রযুক্তি ভিত্তিক দেশ হিসেবে গড়ে উঠছে , উন্নয়ণশীল গরিব দেশটি এখন আর ততটা গরিব নয়, সবক্ষেত্রে আপনার অবদান রাখার চেষ্টাটুকুও প্রশংসনীয় |
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , এতো কিছুর পরও আইনের সমতা , আইনের সুশাসন মারাত্মকভাবে তীরবিদ্ধ। কোথাও কোথাও সুযোগের অসমতা বৈষম্য মানবতার বক্ষে ছুরি চালায় !! আপনার মানবতা আর মমতার অনেক দৃষ্টান্ত আপনি দেখিয়েছেন অনেক ক্ষেত্রেই। সে জন্যে আপনি “মানবতার মাতা” নামে বিশ্বে স্বীকৃত। আপনি জয় ভাইেয়র মা তাই আমারও মা, মা যখন তদন্ত কর্মকর্তা দেখেছিলাম এই গরিবের বিষয়ে তদন্ত করতেসিলেন বুকে আশার স্বপ্ন জেগেছিলো, হয়তো আমার সারা জীবন ধরে তিলে তিলে অর্জিত সম্পদটুকু ফিরে পাবো ,কিন্তু সে আশাও আজ হতাশায় পরিনত হয়েছে। কেননা, ওসি ও ওসি তদন্ত কর্মকর্তা স্যার বলেছিলেন যে, খুব দ্রুত আমি সঠিক বিচার পাবো,এমনকি ২, ৩ দিনের মদ্য আমার খতি পুরন পাব তা মিডিয়া দৈনিক গনজারন ও অপরাধের খুজের কেমেরায় দারন কিত, কিন্তু আজ দিন পেরিয়ে মাস গড়ালেও আমি সঠিক বিচার পাইনি। প্রতিদানে, বিচার দারস্ত হওয়ায় আমার বাসার আশে-পাশে গিয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও সদস্যরা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছেন। আমি মিডিয়ার মাধ্যমে গত ২৮/০৫/১৯ ডি এম পি হেডকোয়ার্টারে একটা লিখিত অভিযোগ দেই,যার স্বারক নাঃ ৮৫-৯২ ডিসি লালবাগ। এসি কোতোয়ালি স্বারক নাঃ-৪২১। পরে ২৯/০৪/১৯ হোম মিনিস্টারের বাস ভবন ধানমন্ডি ৫ নং রোডের ১৪ নং বাসায় আমি নিজে গিয়ে একটা লিখিত অভিযোগ দেই, ওখানে জনি নামের একটা লোক একটা ফাইলে রাখেন,পরে ৩০/০৪/১৯ তারিখে প্রোস্টাবিসের মাধ্যমে আপনায় একটা লিখিত অভিযোগ দেই জানি না (মা) এই হত বাগার চিটি খানা আপনার হাতে পরেসে কি না,ও ০৪/০৮/১৯ তারিখ দৈনিক গনজারন প্রএিকায় বিসয়টা আসে,ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে আপনার সহযোগিতা চেয়ে গত ০১/০৭/১৯ তারিখে একটি দুঃখের খোলা চিঠি পোস্ট করি, অনেক সমাজসেবক এবং মানবাধিকার কর্মীদের মাধ্যমে চিঠিটি শেয়ারের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তারই প্রেক্ষিতে ডিসি স্যার লালবাগ থেকে আমাকে কল করে আশস্থ করেন খুব দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে , এমন কি ৩ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন কিন তু আজও তার কোনো সুরহা হইনি। পরবর্তীতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে এ এস পি মামুনুর রসিদ স্যার কল করে জানান যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার চিঠি টা পেয়েছেন এবং ডি আই জি স্যার কে নির্দেশ দিয়েছেন ৭২ ঘন্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করতে। অবশেষে ০৫/০৮/১৯ তারিখে এ এস পি স্যার সহ ৩ পুলিশের উদ্দতন কমকতা আমার দেশের বাড়ী কুমিল্লায় আসেন এবং আমার বৃদ্ধ বাবা-মা ও আমার বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলেন এবং আমার পাড়া পড়শীর থেকে ঘটনার সত্যতা জানেন ও লিপিবদ্ধ করে নিয়ে যান,এমনকি তাদের স্বাক্ষর নেন, ও ঘটনার কিছু প্রমান সংগ্রহ করে নিয়ে যান। অবশেষে গত ০৮/০৮/১৯, তারিখে আমাকে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে জেতে বলেন,আমি গেলে তারা আমাকে প্রায় ২ ঘন্টা বিভিন্ন আনুষঙ্গিক প্রশ্ন করেন,ঘটনার বিবরনী লেখেন ও আমার স্বাক্ষর নেন এবং কিছু নির্‍যাতনের ছবি রাখেন। কিন্তু এত দিনহয়ে গেলেও আমি তদন্তের কোন সাড়া পাইনি, আমি এ এস পি স্যারের সাথে যোগাযোগ করলে স্যার বলেন, যে প্রথম ধাপের তদন্ত শেষ, তাদের কে ট্রান্সফার করা হয়েছে হিল ট্রক্স। পরবর্তী ধাপ চলছে, তার পর আবারও যোগাযোগ করলে এ এস পি স্যার বলেন তদন্ত সেস আমি জানতে চাইলে তদন্তে কি পেয়েসেন এক পরজায়ে স্যার বলেন তোমার কিসুই দোস নেই, পরে আরো জানতে চাইলে আমার খতিপুরন কি আমি পাব স্যার বলেন তারা তোমার হাতে পায়ে দরবে, আমি বলি আর কত দিন লাগবে,এ এস পি স্যার বলেন জে ১ সাপ্তা, ১০ দিন লাগবে কারন তাদেপর ,ডিপার্টমেন্টাল একসেন হয়েসে সামুইক, আর বাকিটা হবে, কিন্তু আমি হতবাক ও আশাহত হয়ে যাচ্ছি , প্রিয় মা আপনি এই হতভাগ্য গরীব ছেলের অধিকার ফিরিয়ে দেবার নির্দেশ দিলেও আজো কেনো ন্যায় বিচার এবং আমার সারা জীবনের পুজিটুকু ফিরে পেলাম না? মা, এখন আমি আতংকে ঘুরে বেড়াই, কখন জানি আমায় মেরে ফেলা হয়! আমি আপনার সহযোহিতা চাই মা এবং আমি আপনার সাক্ষাৎ কামনা করছি। প্রিয় নেত্রী (মা) আপনার সোনার বাংলার সাধারণ মানুষ সড়ক ও জনপথে আজ ভীষন হয়রানির স্বীকার।
প্রিয় নেত্রী, আমরা অসহায় আমাদের মা-বাবা নিয়ে খুবই কষ্টে দিন যায়। সব হারিয়ে এখন সারাদিন পরিশ্রম করে মা-বাবার চিকিৎসা ও খাদ্যের যোগান দেবার টাকা উপার্জনও আমার কাছে কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে।এবং আমার মানুষিক জন্ত্য জানার কারনে আমি কাজ করতে পারসি না,
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি ছাড়া আমাদের বিচার দেওয়ার আর কোন জায়গা নেই। আগামীকাল আমি কি উপার্জন করব আমার কর্মস্থল কোথায়, আমার পরিবার পরিজনের অবস্থা কি হবে, অসুস্থ বৃদ্ধ মায়ের ঔষধ কিভাবে আনবো, কোথায় টাকা পাবো?
মাননীয় নেত্রী(মা), আমাদের বর্তমান এই করুন অবস্থায় আপনার কঠোর নির্দেশ ও সাহায্য একান্ত প্রয়োজন।
অতএব, প্রধান পুলিশ মহাপরিচালকের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, মানবিক কারণে আমাদের পরিবার ও পরিজনের কথা চিন্তা করে, ন্যায় বিচারের ব্যবস্থা প্রদানের আপনার মজি হউক মর্মে আপনার কঠোর নির্দেশ কামনা করছি। যেনো আমি আমার হারানো গহনা ও নগদ টাকা ফেরত পাই,,ও আমার আতংকিত জীবন নিরাপদ হয় ।

বিনীত
রাজিব কর রাজু।
ঢাকা । সূত্র-প্রেস টিভি

(প্রকা‌শের তা‌রিখ ৩০শে সে‌প্টেম্বর)

About bdlawnews24

Check Also

দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ৩২৮৮, মৃত্যু ২৯

দেশে বেড়েই চলছে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com