সদ্য সংবাদ
Home / জাতীয় / পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পুলিশ হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পুলিশ হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পুলিশ হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পুলিশ বাহিনী হবে জনবান্ধব বাহিনী। পুলিশ হবে জনগণের সেবক। এটা জাতির পিতাও বলে গেছেন। রবিবার রাজারবাগে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে পুলিশ সপ্তাহ উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কেক কাটেন। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার,পুলিশ হবে জনতার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রতিবারের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আনন্দমুখর পরিবেশে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ উদ্হচ্ছে। পুলিশ সপ্তাহ চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ সদস্যদের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, উর্ধতন সরকারী কর্মকর্তা, বিভিন্ন পেশাজীবী সংস্থা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জ্যেষ্ঠ পুলিশ সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে সারা দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত নয়নাভিরাম প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি অনুষ্ঠানে ১১৮ পুলিশ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ পদক ও পুলিশ পদক সেবা এবং রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক সেবায় ভূষিতদের মধ্যে পদক বিতরণ করেন। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৪ জনকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ২০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৮ জনকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) সেবা’ এবং ৫৬ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) সেবা’ প্রদান করা হয়।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ যেন পুলিশ বাহিনী থেকে কাক্সিক্ষত সেবাটা পেতে পারে, সে জন্য আমরা পুলিশকে আধুনিক ও জনবান্ধব করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মধ্য দিয়ে যে কোনা ধরনের অপরাধ দমন করা সহজ এবং সেই দৃষ্টিকোন থেকে পুলিশ কাজ করবে, সেটাই তার আশা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থকে আমরা ব্যয় হিসেবে নিই না। আমরা মনে করি, জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে এটা আমাদের একধরনের বিনিয়োগ। কাজেই সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা এই পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক সাজে সজ্জিত এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে জনগণের সেবা যাতে নিশ্চিত করতে পারি, তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ আমরা নিয়ে যাচ্ছি। যে কোন দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়ায় পুলিশ। কাজেই যে কোন প্রয়োজনে পুলিশ বাহিনীর পাশে দাঁড়ানোটা আমি কর্তব্য বলে মনে করি। পুলিশ বাহিনী দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

About bdlawnews

Check Also

থার্টিফার্স্ট নাইট ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

ইংরেজি বছরের শেষ রাত থার্টিফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে অপ্রত্যাশিত বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোর লক্ষ্যে রাজধানীতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com