সদ্য সংবাদ
Home / আইন পড়াশুনা / ট্রেড লাইসেন্স খোলার উপায়

ট্রেড লাইসেন্স খোলার উপায়

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করা, আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ. যে কোন ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে প্রথমেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়. সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।  যদি কেউ তা না নিয়ে ব্যবসা করেন তবে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে

শুধু যে আইনি বাধ্যবাধকতার জন্যই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে তা নয় , একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নানা কাজে এই ট্রেড লাইসেন্স লাগতে পাড়ে. আমাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড যেমন ভোটদান ছাড়াও নানা কাজে লাগে তেমনি ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসায়িক নানাধরনের কাজে লাগে ।

কোথায় থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় ?

  • আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি যদি সিটি করর্পোরেশন এলাকার মধ্যে হয় তবে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্সটি করতে হবে সিটি করর্পোরেশনের অফিস থেকে
  • আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি যদি পৌরসভার মধ্যে হয় তবে ট্রেড লাইসেন্সটি করতে হবে পৌরসভার থেকে
  • আর আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি যদি ইউনিয়ন পরিষদের এলাকার মধ্যে হয় তবে ট্রেড লাইসেন্সটি করতে হবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে

ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি কাগজপত্র লাগতে পাড়ে ?

  • দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্রের ফটোকপি আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে তবে দোকানটি যদি আপনার নিজের মালিকানাধিন হয় তবে উক্ত দোনাকের ইউটিলিটি বিল ফটোকপি দিতে হবে
  • ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনারশিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে
  • ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি যদি কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলসও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন জমা দিতে হবে
  • আপ্নার জাতীয় পরিচয় পত্রের পটো কপি জমা দিতে হবে
  • আবেদনপত্রের সঙ্গে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে

ট্রেড লাইসেন্স করতে খরচ কেমন হয় ?

ব্যবসার ধরন অনুসারে ট্রেড লাইসেন্স এর খরচ হয়ে থাকে । তবে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর অধীনে ট্রেড লাইসেন্স করতে আপনার ৫শ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পাড়ে.

চলুন জেনে নেইঢাকা কর্পোরেশনের মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করতে হবে?

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হলে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্তকেননা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মূলত ২ ভাগে বিভক্ত উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন.

এখানে মজার বিষয় হলে এই ২ টি সিটি কর্পোরেশনকে আবার ৫ টি ৫ টি করে মোট ১০ টি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে. তাহলে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত.

যেমন ধরুন মোহাম্মদপুর এলাকাটি উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং উক্ত অঞ্চলের জন্য অফিসটি হল “কাউরন বাজারে”

এরকম প্রতিটি এলাকার জন্য পৃথক অঞ্চল আছে, আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ওই অঞ্চলের অফিসে গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে.

১. তো আপনি আপনার এখতিয়ারধিন অঞ্চলের অফিসে গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন ফরম নিতে হবে

২. আবেদন ফরমটি যথাযথভাবে পুরন করে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হবে

৩. এবার পুরনকৃত আবেদন ফরমটি এবং এর সাথে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রগুলো সেখানে জমা দিতে হবে ৪. আবেদনের পরে সিটি করপোরেশনের লোক দ্বারা আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তদন্ত হতে পারে এবং এর প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমানের লাইসেন্স ফি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারন করা হবে। নিরধারিত ফি জমা দিলেই পেয়ে জাবেন আপনার ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স । এখানে একটি ট্রেড লাইসেন্স এর নমুনা দেখেছেন আপনারা  ।

About bdlawnews

Check Also

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের আসামীদের রিমান্ড শুনানি কাল

কুষ্টিয়ায় পৌরসভার নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্যে ভাঙচুর মামলার চার আসামীর রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল দিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com