সদ্য সংবাদ
Home / আইনে চাকুরি / কিশোরগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরে সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ স্থগিত

কিশোরগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরে সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ স্থগিত

লক্ষ্মীপুর জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া ২৯২ জনের নিয়োগ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ জেলার নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া ৪৬৩ জনের নিয়োগ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত।

সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ পৃথক এই আদেশ দেন। লক্ষ্মীপুর জেলা থেকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী তাসনুর বেগমসহ চারজন এ রিটটি করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন- অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার পালোয়ান।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীনে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পোষ্য তথা কোটাপ্রার্থী এবং বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে। কিন্তু গত ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের ঘোষিত ফলের ক্ষেত্রে সেটা অনুসরণ করা হয়নি। তাই প্রার্থীরা হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে বিবাদী করা হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে (ডিজি)।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া আরও ৪৬৩ জনের নিয়োগ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি নীলফামারী ও বরগুনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই দিন নওগাঁ ও ভোলা জেলায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরে ২০ জানুয়ারি পটুয়াখালী, মাদারীপুর ও সিরাজগঞ্জসহ ১৪ জেলাতে শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত করা হয়। এরপর ২৬ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও ২৭ জানুয়ারি ঢাকা, গাজীপুর ও পিরোজপুর জেলার শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত করা হয়। এর পর ২৮ জানুয়ারি ফরিদপুর, লালমনিরহাট ও নাটোরের পর ফরিদপুর জেলার শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত করা হয়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারা দেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। এ পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

About bdlawnews

Check Also

হাইকোর্টে সাংবাদিক কাজলের জামিন, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় ফটোসাংবাদিক সফিকুল ইসলাম কাজলের জামিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by themekiller.com