সদ্য সংবাদ
Home / আইন আদালত / ৯ শর্তে ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ

৯ শর্তে ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ

কক্সবাজারের টেকনাফে ৯টি শর্তে দ্বিতীয় দফায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ২১ ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করেছে। এ সময় তাদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিবৃন্দ।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফ ডিগ্রি কলেজ মাঠে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা। ২১ হাজার ইয়াবা ও ১০টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণের পর তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৯টি শর্তে মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মসমর্পণ করেছে।

শর্তগুলো হচ্ছে:

* মাদক ব্যবসায়ীগণ এ ঘৃণ্য মাদক ব্যবসা ছেড়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সমাজে সুস্থ সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করবে।

* ভবিষ্যতে তারা মাদক সংক্রান্ত কোন অপরাধে জড়িত হবে না।

* সমাজে ফিরে গিয়ে তারা স্ব স্ব এলাকা মাদকমুক্ত রাখার লক্ষ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

* তাদের স্ব স্ব এলাকা মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে এলাকা ভিত্তিক মাদকবিরোধী কমিটি গঠন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

* যে সব লোক মাদক ব্যবসায় এখনো সক্রিয় রয়েছে তাদের তথ্য জেলা পুলিশকে সরবরাহ করবে।

* আত্মসমর্পণের পূর্বে তাদের বিরুদ্ধে যে সব মামলা রুজু হয়েছে বা আদালতে বিচারাধীন আছে এসব মামলাগুলো তারা নিজ দায়িত্বে আইনগতভাবে মোকাবেলা করবে।

* আত্মসমর্পণকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের হেফাজতে যে সব মাদকদ্রব্য-অবৈধ অস্ত্র রয়েছে তা তারা আত্মসমর্পণের সময় জেলা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করবে।

* আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় তাদের বিরুদ্ধে যে মামলাটি রুজু হবে, সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে তাদেরকে আইনগত সুবিধা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

* মাদক ব্যবসার মাধ্যমে নিজে/পরিবারের/আত্মীয় স্বজনের নামে বেনামে অর্জিত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি যাচাইয়ের জন্য দুদক/সিআইডি(মানিলন্ডারিং শাখা)/এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার নিকট তাদের তথ্যাদি প্রেরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তাদের অর্জিত সব স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি যাচাই সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম-এর সভাপতিত্বে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক নির্মূলে বাংলাদেশ পুলিশ বদ্ধ পরিকর। সুতরাং মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার যে জিরো ট্লারেন্স ঘোষণা করেছেন তা বাস্তবায়নে পুলিশ কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

About bdlawnews

Check Also

চিকিৎসকের পরিচয়পত্র দেখা নিয়ে সেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদলি

ঢাকা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মো. মামুনুর রশীদকে বরিশাল বিভাগে বদলি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com